‘কিন্সা খিয়ং (Kinsa Khyong)’ মাঙ্গাকে বাংলাদেশ কপিরাইট অফিস আনুষ্ঠানিকভাবে দেশের প্রথম মাঙ্গা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। আজ অর্থাৎ ৭ আগস্ট, ২০২৫ জাতীয় বার্তা সংস্থা ইউএনবি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানায়। একইসঙ্গে এর স্রষ্টা শান্তনা শান্তুমা (শাহ্নূরুমা শান্তনা এবং শাহরিন শান্তুমা-র ডুয়ো)-কে বাংলাদেশের প্রথম মাঙ্গাশিল্পী হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
২০১৬ সালের অক্টোবর সংখ্যায় দেশের সর্বাধিক প্রচারিত কিশোর সাময়িকী ‘কিশোর আলো’ তে প্রথম প্রকাশিত হয় ‘কিন্সা খিয়ং’। এটি চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীকে কেন্দ্র করে মারমা জনগোষ্ঠীর একটি প্রাচীন কিংবদন্তির উপর ভিত্তি করে তৈরি।
জাপানি মাঙ্গার নান্দনিক রীতির সাথে বাংলা লোককথার সংমিশ্রণে তৈরি এই কাজটি ব্যাপক পাঠকপ্রিয়তা অর্জন করে। বাংলাদেশে জাপান দূতাবাস এই কাজের সাংস্কৃতিক গুরুত্ব তুলে ধরে প্রশংসাও জানিয়েছে।
শান্তোনা শান্তুমা “বাংলাদেশি মাঙ্গা” নামে একটি নতুন শিল্পধারার সূচনা করেছেন, যেখানে তারা বাংলা কাহিনি ও জাপানি শিল্পরীতির সমন্বয় ঘটিয়েছেন।
তাদের অন্যান্য উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে পাঞ্জেরী পাবলিকেশন্স লিমিটেড কর্তৃক প্রকাশিত ‘অগ্নিযোদ্ধা’ সিরিজ, এবং জনপ্রিয় কিছু শিরোনাম যেমন ‘লকারের চিঠি’, ‘তানাপোড়েন’, ‘বাসাপ’, ‘প্রতীক’, ‘শিকার’, ‘বহুরূপী’, ও ‘আগস্টবাবুর ডায়েরি’।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এই কপিরাইট স্বীকৃতিকে বাংলাদেশের সৃজনশীল খাতে মেধাস্বত্ব রক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
‘কিন্সা খিয়ং’-এর নবম বার্ষিকী ও কপিরাইট জয়ের আনন্দ উদযাপন করতে শান্তোনা শান্তুমা বিভিন্ন স্মারক অনুষ্ঠান আয়োজনের পরিকল্পনা করেছেন, যেখানে পুরোনো ভক্তদের পাশাপাশি নতুন পাঠকদেরও মাঙ্গা ধারার সঙ্গে যুক্ত করার উদ্যোগ থাকবে।
মাঙ্গাটি Manga Stage এ ফ্রিতে পড়তে পারবেন।
সুত্র: UNB
